October 23, 2026, 4:16 am
শিরোনাম:
ভারতে উচ্ছেদ অভিযানে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মসজিদ, ঘরহারা হাজারো মুসলিম পরিবার দশমীতে সিঁদুর খেলার আনন্দের মাঝেই নববধূর মৃত্যু বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল আপন দুই ভাইয়ের বাকেরগঞ্জে দুই অটোরিকশাচাপায় বৃদ্ধ নিহত বরিশালে সেফটি ট্যাংকিতে কাজ করার সময় দুইজনের মৃত্যু বাকেরগঞ্জে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে যুবকের আত্মহত্যা বাকেরগঞ্জের নিয়ামতিতে ব্যক্তিগত অর্থায়নে সড়ক সংস্কার, পরিদর্শনে সোহেল ফরাজী বাকেরগঞ্জের কলসকাঠীতে এমপি আবুল হোসেন খানকে সংবর্ধনা ডিভাইসে রোগ নির্ণয়ের নামে ১৫ বছর প্রতারণা, বাবুগঞ্জে কথিত চিকিৎসককে জরিমানা জাতীয় সম্মাননায় ভূষিত বরিশালের তরুণ সংগঠক আরিফুর রহমান

তেলের লাইনে থাকা বাইকারকে ‘মারধর’ করলেন ইউএনও,

Reporter Name

নিজস্ব সংবাদদাতা।।
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে চেহারার মিল না থাকায় এক মোটরসাইকেল চালককে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে, ইউএনও বলছেন, তিনি শুধু চাবি নিয়েছেন, মারধর করেননি।

গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের ‘লুবানা ফিলিং স্টেশনে’ এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানায়, কালীগঞ্জ উপজেলার চাপারহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলক চন্দ্র অসুস্থ থাকায় তাঁর মোটরসাইকেলে তেল নিতে চাপারহাট বাজারের গ্যারেজ মালিক প্রদীপের সহায়তা চান। এ সময় প্রদীপ তাঁর কর্মচারী নদীকে (১৮) ফুয়েল কার্ডসহ তেল নেওয়ার জন্য লাইনে পাঠান। নদী লাইনে দাঁড়িয়ে থাকাকালে সেখানে তদারকিতে থাকা কালীগঞ্জ ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান তাঁর হাতে থাকা কার্ডটি পরীক্ষা করেন। এ সময় কার্ডের ছবির সঙ্গে তার চেহারার মিল না থাকায় কোনো কিছু জিজ্ঞাসা না করেই ইউএনও তাঁকে থাপ্পড় দিতে থাকেন।

এ ঘটনায় উপস্থিত স্থানীয় জনতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের তোপের মুখে ইউএনও বিষয়টি পুনরায় খতিয়ে দেখেন। পরে অসুস্থ কলেজ শিক্ষকের মোটরসাইকেল ও ফুয়েল কার্ডের সত্যতা নিশ্চিত হলে প্রায় ঘণ্টাখানেক পর ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

অভিযোগকারী যুবক নদী বলেন, ‘আমি গ্যারেজ মেকানিক। মালিকের কথায় অসুস্থ এক শিক্ষকের কার্ড ও টাকা নিয়ে তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। ইউএনও কার্ড চেক করার সময় কোনো কথা না বলেই আমাকে কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। আমি কোনো অন্যায় করিনি, বিনা অপরাধে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।

এ বিষয়ে ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান বলেন, ‘আমি শুধু তার গাড়ির চাবি নিয়েছিলাম, গায়ে হাত তুলিনি। তার অভিভাবকেরা এলে তাদের কাছে চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।