জিয়াউল হক, বাকেরগঞ্জ।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গরুর হাট জমে উঠতে শুরু করেছে। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ হাটগুলোতে প্রতিদিনই বাড়ছে দেশি-বিদেশি গরুর আমদানি। দূর-দূরান্ত থেকে খামারি ও ব্যবসায়ীরা কোরবানির পশু নিয়ে আসছেন হাটে। ফলে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠছে হাটগুলো।
উপজেলার বৃহত্তম চৈতা গরুর হাট, বোয়ালিয়া গরুর হাট সহ বিভিন্ন ইউনিয়নে হাট ঘুরে দেখা গেছে, দেশীয় জাতের গরুর পাশাপাশি ফ্রিজিয়ান, শাহীওয়াল ও নেপালি জাতের গরুও উঠেছে বাজারে। বড় গরুর তুলনায় ছোট, মাঝারি আকারের গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে।
চৈতার হাটে ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১ লক্ষ থেকে দেড় লাখ টাকার মধ্যে মাঝারী আকারের গরু কেনা যাচ্ছে। অনেকে ৫৫ থেকে ৬০ হাজার টাকার মধ্যে গরু কিনছেন ছোট আকারের। তবে বাজারে মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।
বিক্রেতারা বলছেন, গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এবছর গরুর দাম তুলনামূলক কিছুটা বেশি। তবে ক্রেতাদের চাপ থাকায় বিক্রি বেড়েছে। ক্রেতারা সাধ্যের মধ্যে ভালো পশু কেনার চেষ্টা করছেন।
স্থানীয় খামারিরা জানান, সারা বছর লালন-পালন করা গরু বিক্রির জন্য তারা এখন হাটের দিকে ঝুঁকছেন। অনেকেই আশা করছেন, ঈদের আগের কয়েকদিনে বেচাকেনা বেরেছে এবং ভালো লাভ হবে।
অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, দাম কিছুটা বেশি হলেও বাজারে পর্যাপ্ত পশু থাকায় পছন্দমতো গরু কেনার সুযোগ পাচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ঈদের দিন ঘনিয়ে আসছে তাই বিভিন্ন পশুর হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে জমে উঠছে কোরবানির পশুর বেচাকেনা।