October 24, 2026, 2:30 pm
শিরোনাম:
বেতাগীতে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ সাবেক কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার থানার হাজতে বসে ‘জয় বাংলা’ ও ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান এসআই সহ দুই জন প্রত্যাহার দুই সন্তানের কেউ নেয় না বিধবা মায়ের খবর, ছেঁড়া পলিথিনের ঝুপড়িতে কাটে সাফিয়ার জীবন বিয়ের ২০ দিনের মাথায় স্বর্ণালংকার নিয়ে উধাও বিএনপি নেতার স্ত্রী ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাগ্‌বিতণ্ডায় পুলিশের জিডি মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে জেলেদের হামলা, পুলিশ আহত মাদরাসায় বলাৎকার বন্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার, হুঁশিয়ারি ধর্মমন্ত্রীর যুবদল কর্মীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, গ্রেফতার ২ যুব মহিলা লীগ নেত্রী ডালিয়ার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

থানার হাজতে বসে ‘জয় বাংলা’ ও ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান এসআই সহ দুই জন প্রত্যাহার

Reporter Name
Oplus_131072

নিজস্ব সংবাদদাতা।।
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানার হাজতে বসে ‘জয় বাংলা’ ও ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা শাহ তপু। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থানার হাজতের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদী ও কনস্টেবল আফসানা মিমিকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের উমরপুর গ্রাম থেকে শাহ তপুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি ওই গ্রামের শাহ ফিরোজ মিয়ার ছেলে। পরে একই গ্রামের শাহ শুকুর আলীর ছেলে শাহ জুয়েলকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় আসামি হিসেবে শাহ তপুকে গ্রেপ্তার করা হয়। নবীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসিফের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, থানার হাজতে থাকা অবস্থায় শাহ তপুকে স্লোগান দিতে দেখা যায় ভিডিওতে। তাঁর সহযোগী শাহ জুয়েল কৌশলে ভিডিওটি ধারণ করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

এ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে ভিডিও ধারণকারী শাহ জুয়েলকে আটক করে পুলিশ। পরে তাঁকেও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একই মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

থানার হাজতের মতো একটি নিয়ন্ত্রিত স্থানে কীভাবে ভিডিও ধারণ করা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হাজতের ভেতরে মোবাইল ফোন কীভাবে প্রবেশ করল, ভিডিও ধারণের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা কোথায় ছিলেন এবং নিরাপত্তাব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি ছিল কি না—এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেন বলেন, থানার হাজতখানার মতো স্পর্শকাতর স্থানে অবৈধভাবে ভিডিও ধারণ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ঘটনায় শাহ জুয়েলকে গ্রেপ্তার করে একই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা ডিউটি অফিসার এসআই মেহেদী ও কনস্টেবল আফসানা মিমিকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেবে।

তবে ভিডিও ধারণের ঘটনায় হাজতের নিরাপত্তাব্যবস্থায় ঠিক কী ধরনের ত্রুটি ছিল, তা নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।