October 28, 2026, 5:16 am
শিরোনাম:
সকাল ৯টার মধ্যে ৬ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়, রাতেও লোডশেডিং পাঁচ বছরে দেশের প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণের ঘোষণা বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে টোলের নামে চাঁদা আদায়, পর্যটকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বায়োগ্যাসের মাধ্যমে জ্বালানি সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে হাইকোর্টে মামলা চলমান থাকায় দখল হওয়া সম্পত্তি উদ্ধারে অসহায় উজিরপুরের প্রশাসন ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ ঘিরে বরিশালের উপকূলে সতর্কতা, পায়রা বন্দরে ৩ নম্বর সংকেত তাশরীফের বাবার ১৭-১৮ বিয়ের দাবি মায়ের, ছেলেকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ পান্ডব নদীর ভাঙনে বিলীন পাকা সড়ক, বসতবাড়ি মসজিদ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ সাঈদীকে ‘আল্লাহর ওলি’ বললেন মানিক পশারীর বোন, সাক্ষ্য নিয়ে জানেন না কিছুই

ডুবে যেতে পারে বরিশাল নগরী, স্যাটেলাইট ইমেজেও মিলেছে প্রমাণ

Reporter Name

বাংলামিডিয়া নিউজ।। প্রতি বছর গড়ে এক দশমিক ৬৬ মিলিমিটার করে নিচে নামছে বরিশাল নগরীর মাটির স্তর। এই নীরব ধস যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে আগামী ৫০ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের সমান হয়ে যাবে বরিশাল। তখন সামান্য জোয়ারেও তলিয়ে যেতে পারে এই নগরী।

জার্মানির সহায়তায় বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর ও ফেডারেল ইনস্টিটিউট ফর জিওসাইন্স অ্যান্ড ন্যাচারাল রিসোর্সেসের এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন তথ্য। স্যাটেলাইট ইমেজেও মাটির স্তর নেমে যাওয়ায় ভবন হেলে পড়ার প্রমাণ মেলে। ২০১৪ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত টানা ছয় বছর বরিশাল নগরী ও সংলগ্ন এলাকার ভূপ্রাকৃতিক উপাদান সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হয়। গবেষণায় গভীর তলদেশ থেকে সংগৃহীত ভূগর্ভস্থ উপাদানের পরীক্ষা, স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণ এবং ভূ-উপরিভাগের স্থাপনা পর্যবেক্ষণ করা হয়। বাংলাদেশের নগর এলাকায় জার্মান উন্নয়ন সংস্থার সম্ভাব্য সহযোগিতার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে কাজটি শুরু হলেও এর ফলাফল উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রকল্পে অর্থ সহায়তা দিয়েছে জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা।

যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা, ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান বলেন, ‘প্রকৃতির আচরণ কখন কেমন হয় বলা মুশকিল। এখন যেখানে মাটির স্তর নিচে নামছে, এটা বন্ধও হয়ে যেতে পারে। তবে আমরা গবেষণায় যা পেয়েছি তাতে এটা কেবলই নামছে। এই প্রক্রিয়া বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা থেকে যায়।

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার বন্ধ করে সারফেস বা ভূ-উপরিভাগ যেমন পুকুর, নদী, খালের পানি ব্যবহারে সবাইকে উৎসাহিত করতে হবে। এই পানি পরিশোধন করে চাহিদার সবটুকু যাতে সরবরাহ করা যায় তার ব্যবস্থা নিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। সেইসঙ্গে ঠেকাতে হবে অপরিকল্পিত নগরায়ণ।